"দাঁড়িয়ে আছো কেন স্টুপিড মেয়ে?বোসো।"
আবৃতি আস্তে-ধীরে হাতটা সরিয়ে ডেস্কের উপর রেখে বসলো।হোয়াইট বোর্ডের অংক তোলার আদেশ পড়লে ধীরে ধীরে খাতায় অংক তুলছিল মেয়েটা।শাহরিয়ারের আজকের এই ভয়ংকর রূপ দেখে পুরো ক্লাস চুপটি মেরে রইল।তারা তাকে মিষ্টভাষী এবং হাসি মুখে দেখে অভ্যস্ত। আবৃতির সামনের ডেস্কে বসা ত্বোহা পিছন ফিরে তাকে ফিসফিস করে বলল,
"হাতে পানি দিবি?চল ওয়াশরুমে যাই?"
"প্রয়োজন নেই।তুই সামনে তাকা।না হলে তোর ভাগ্যেও মার জুটবে।"
"এই হাতে আর অংক তুলিস না।দে আমি তুলে দিচ্ছি।"
টাপুর টুপুর পানি ঝরছে আবৃতির দুই চোখ থেকে। যন্ত্রণায় মুখ পানসে হয়ে আছে।তবুও সে থামলো না। দুই আংগুলের মাথায় কলমটা আলগোছে রেখে লেখা চালিয়ে গেল। ছুটির ঘন্টা পড়েছে। বোর্ডে যখন শাহরিয়ারের হাত থামলো তখনও আবৃতি লিখছিল। তাকে এক পলক দেখে রুম ত্যাগ করলো শাহরিয়ার। ধীরে লেখার কারণে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছিল মেয়েটা। ফলস্বরূপ লেখা শেষ হতে সময় পার হলো বাড়তি ত্রিশ মিনিট। ক্লাসরুমগুলো ততক্ষণে ফাকা হয়েছে,অধিকাংশ স্যার ম্যাম বেরিয়ে গেছেন।আবৃতি ডেস্কের ড্রয়ারে কিছু জিনিসপত্র রেখে অসাবধানতায় ব্যাগ হাতে নিলো।আরো একটা বার যন্ত্রণায় শ্বাস ভারী হয়ে উঠলো তার।
#কাঞ্জি গল্পটা আবার নতুন করে লিখা । যেখানে শাহ্ নতুন করে প্রেমে পড়েছে আবৃতি কিংবা আবৃতি প্রেমে পড়েছে তার ব্যক্তিগত পরপুরুষের। যারা বইটি সংগ্রহ করতে চান দ্রুত সংগ্রহ করতে প্রি-অর্ডার করে ফেলুন।