ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো, সাময়িক পরাজয়ে পিছে হটা। প্রত্যকের জীবনেেই এমন দু-চারটা পরাজয়ের অভিজ্ঞতা আছে। গোল্ডরাশের সময়ে আর. ইউ. ডার্বির এক চাচাকে একবার ‘সোনার জ্বরে’ (গোল্ড ফিভার) পায়। অনেকের মতো তিনি কখনোই শোনেননি যে, মাটির নিচে যত সোনা আছে তার চেয়েও অধিক সোনা রয়েছে আমাদের মস্তিস্কে। যাই হোক, রীতিমতো পণ ধরে একটা জায়গা বেছে নিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করেন তিনি । কাজটা অনেক কঠিন হলেও সোনার জন্য তার লোভের কোন সীমা ছিল না। কয়েক সপ্তাহ টানা খোঁড়াখুঁড়ির পর তিনি একট চকচকে আকরিক আবিস্কার করেন। কিন্তু এই আকরিক টেনে মাটির উপরে আনার জন্য মেশিনের প্রয়োজন পড়ে তার। সবার অজান্তে তার খোঁড়া সেই গর্তে মাটি ফেলে বন্ধ করে মেরিল্যান্ডের উইলিয়ামসবার্গে তার বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়ি ফিরে আত্নীয় আর কয়েকজন মিলে টাকা তুলে সেই মেশিন কিনে জাহাজে করে নিয়ে আসেন। চাচার সঙ্গে ডার্বিও ছোটেন সেই খনির দিকে।